ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শেষ হলেও পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি-র বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে এখনো অব্যাহত রয়েছে পর্যটকদের ভিড়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জেলার জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানগুলো। বিশেষ করে আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র, রিসাং ঝরনা, ঝুলন্ত সেতু, তারেং ও হাজাছড়া ঝরনাসহ বিভিন্ন স্পটে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভ্রমণকারীরা। এদিকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি-তেও দেখা গেছে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে বান্দরবান থেকে আগত অনেক পর্যটক যাতায়াত ব্যবস্থার কিছু ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, বাঘাইহাট থেকে সাজেক পর্যন্ত সড়কে একাধিক সেনা ক্যাম্প থাকায় স্কটের মাধ্যমে যানবাহন চলাচল করতে হয়, যা অনেক সময় পর্যটকদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তবে এসব সীমাবদ্ধতার পরও সাজেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগে মানুষের আগ্রহ কমেনি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটি শেষ হলেও পর্যটকের চাপ কমেনি। ফলে হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট ও যানবাহন খাতে বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এতে পর্যটননির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। সাজেক হেলিপ্যাডে পর্যটকদের ভিড়, পাহাড়ি খাবার ও হস্তশিল্পে জমজমাট বাজার পর্যটকদের নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের অনেকে বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি পরিবেশ ও তুলনামূলক শান্ত আবহের কারণে ঈদের পরও খাগড়াছড়ি ও সাজেক ভ্রমণের আগ্রহ কমেনি। তাই ছুটি শেষে সময় পেলেই অনেকেই পরিবার নিয়ে ছুটে আসছেন পার্বত্য অঞ্চলে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে মূলত এই দীর্ঘ ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে এই অতিরিক্ত ছুটির পরিবর্তে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগামী ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিস করতে হ...
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, খুব শীঘ্রই রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই তিন পার্বত্য জেলার জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এবং উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান। সোমবার (১১ মে) দুপুরে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। পার্বত্য চট্টগ্রামের সুষম উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চল...
বান্দরবানে নতুন ধারার গণমাধ্যম “এশিয়া পোস্ট”-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বান্দরবান প্রেস ক্লাবে এক বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মাধবী মারমা। তিনি বলেন, গণমাধ্যম দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সা...
প্রথমবারের মতো খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সরকারি সফর করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি। সফরকালে তিনি খাগড়াছড়ি জেলায় কর্মরত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে ট...
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মাকে বান্দরবানে প্রথম আগমনে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বান্দরবান প্রেসক্লাব। শনিবার শহরের প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত সংসদ সদস্যের সফলতা কামনা করেন এবং বান্দরবানের উন্নয়ন ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কার্যকর ভূমিক...