রাজধানী ঢাকার পল্লবীর সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর এখন রায় কার্যকরের প্রক্রিয়া ও সময় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, উচ্চ আদালতে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও জানিয়েছেন, ডেথ রেফারেন্স দ্রুত শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লাও, তবে তিনি বলেন রায় কার্যকর হলে তাদের প্রত্যাশা পূর্ণ হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার রক্তাক্ত ও খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে দায়ের হওয়া মামলার রায়ে আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।